সর্বশেষ সংবাদ

নুসরাত ফারিয়ার বৃহস্পতি তুঙ্গে

নুসরাত ফারিয়ার বৃহস্পতি তুঙ্গে

খুব অল্প সময়েই মডেলিং ও উপস্থাপনার মাধ্যমে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন নুসরাত ফারিয়া। বিজ্ঞাপনচিত্রে গ্লামারাস উপস্থিতি ও উপস্থাপনায় ভিন্নধর্মী স্টাইল দিয়ে কিছুদিন আগেও দর্শক মাতিয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে টোল খাওয়া গালের ভুবন ভোলানো হাসি ও সুমিষ্ট কণ্ঠের জাদু তার ক্যারিয়ারে যোগ করেছে ভিন্নমাত্রা। এখানেই শেষ নয়, উপস্থাপনা ও মডেলিং ছেড়ে এখন যাত্রা শুরু করেছেন চলচ্চিত্রেও। এই তো কিছুদিন আগে জাজ মাল্টিমিডিয়ার নতুন ছবি ‘প্রেমী ও প্রেমী’তে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন নুসরাত ফারিয়া। এ ছবির শুটিং এখনও শুরু হয়নি। তবে তার আগেই শোনা যাচ্ছে যৌথ প্রযোজনার আরও একটি ছবিতে অভিনয় করতে যাচ্ছেন এ মডেল-অভিনেত্রী। ‘প্রমিস’ নামের নতুন এ ছবিতে নুসরাত ফারিয়াকে কলকাতার জনপ্রিয় নায়ক সোহমের বিপরীতে দেখা যাবে বলেই জানা গেছে। চলচ্চিত্রে ক্যারিয়ার শুরু হতে না হতেই দুই ছবিতে কাজ করার সুযোগ। সে নিরিখে বলা যায়, তার ক্যারিয়ারের বৃহস্পতি এখন তুঙ্গে। এদিকে চলচ্চিত্র জগতে পাড়ি জমানোর শুরু থেকে নিজের প্রিয় জায়গা টিভিপর্দা এমনকি সব ধরনের উপস্থাপনা ও বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ থেকে সাময়িক অবসর নিয়েছেন নুসরাত ফারিয়া। জাজের সঙ্গে যত দিনের চুক্তি হয়েছে কেবল ততদিনই তাকে এ কাজ থেকে দূরে থাকতে হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে নুসরাত ফারিয়া বলেন, আসলে চলচ্চিত্রের কাজটা বড় পরিসরের। সে জায়গা থেকে টিভি পর্দার কাজ এ মুহূর্তে আর করা সম্ভব নয়। ছবির শুটিংয়ে যেন কোন ব্যাঘাত না ঘটে আর মনোযোগ দিয়ে যেন কাজটা করতে পারি সে জন্যই মূলত এ সিদ্ধান্ত নেয়া। অবশ্য আমি
উপস্থাপনাকে চিরতরে বিদায় জানাইনি। সাময়িক সময়ের জন্য নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি কাজটি থেকে।  শহীদ বীরউত্তম লে. আনোয়ার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী ছিলেন ফারিয়া। স্কুলজীবন থেকেই বিতর্ক, নাচ, গানসহ নানা সংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। লেখাপড়ায় ভাল ছিলেন বলে শিক্ষকরাও তার কোন কাজে বাদ সাধতে পারেননি। নুসরাত ফারিয়া এখন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের শিক্ষার্থী। মিডিয়ায় আসা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমার স্বপ্ন হলো মিডিয়ায় কাজ করা। কিন্তু আমার বাবা-মায়ের স্বপ্ন আমি যেন উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হই। তাদের স্বপ্ন সত্যি করতেই শুটিংয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে লেখাপড়াটাও চালিয়ে যাচ্ছি। ২০১০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক’ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে মিডিয়ায় যাত্রা শুরু করেন ফারিয়া। ওই বছর শ্রেষ্ঠ বক্তা হিসেবে পুরস্কার অর্জন করেন তিনি। এরপর ২০১২ সালে এনটিভির ‘থার্টিফাস্ট ধামাকা কক্সবাজার’ অনুষ্ঠানটি নুসরাত ফারিয়ার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে ধরা দেয়। ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে বলিউড প্লেব্যাক শিল্পী সুনিধি চৌহানের ‘সুনিধি লাইভ কনসার্ট’ শিরোনামের অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করে দারুণ প্রশংসিত হন তিনি। একই বছর টি-২০ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেও ব্যাপক আলোচিত হন।
এরপর আর নুসরাত ফারিয়াকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। তিনি একে একে ‘ডোর’ নামে ফ্যাশন হাউসের ব্র্যান্ড মডেল এবং ‘ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি’, ‘সেন্টারফ্রেশ’, ‘সিম্ফনি’, সিটিসেল রিচার্জের বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হয়ে ছোট পর্দার প্রিয়মুখ হয়ে উঠেছেন।
Designed by Copyright © 2014
Powered by Blogger.