সর্বশেষ সংবাদ

হোস্টেল ডায়েরি কঙ্গনার

হোস্টেলে থাকা গার্লস কলেজে পড়া মেয়েদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নিজের সে সময়ের হোস্টেল ডায়েরির পাতাই যেন মেলে ধরেছিলেন বলিউডের অভিনেত্রী কঙ্গনা রনৌত। হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করা মেয়েদের জীবনের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে তিনি জানান, গার্লস স্কুল-কলেজে পড়াশোনা

আরহোস্টেলে থাকার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর

 

সম্প্রতি কঙ্গনা তাঁর রোমান্টিক বিনোদনধর্মী ছবি ‘কাট্টি বাট্টি’ ছবির প্রচারের কাজে ভারতের একটি কলেজে গিয়েছিলেন। কঙ্গনা তাঁর কলেজজীবনের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে সেই কলেজের মেয়েদের বলেন, ‘আমি সব সময় মেয়েদের স্কুল-কলেজেই পড়েছি, তাই সে সময় হঠাৎ কোনো ছেলেকে সামনে দেখলে সবার মনে যে কী অনুভূতির সৃষ্টি হয় তা খুব ভালো বুঝতে পারি।’

কঙ্গনা রনৌত জানান, ‘যখন হোস্টেলে ছিলাম, তখন প্রায় ছয় মাস অবধি কোনো ছেলের ছায়া মাড়ানোরও সুযোগ ছিল না। ইন্টার-কলেজ কমপিটিশনের সময় যখন কোনো ছেলেকে দেখতাম তখন সে খবরটি এত দ্রুত ছড়িয়ে পড়ত, যেন কোনো ডাইনোসর দেখা গেছে! তাই আমি জানি সে অনুভূতিটি কী।’
১৮ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাচ্ছে ইমরান খান ও কঙ্গনা অভিনীত ‘কাট্টি বাট্টি’।
২০০৬ সালে গ্যাংস্টার ছবির মা​ধ্যমে বলিউডে আসেন কঙ্গনা। বক্স অফিসে ছবিটি বেশ সাড়া জাগিয়েছিল। কিন্তু এত দূর আসতে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে কঙ্গনাকে। তবে কঙ্গনা বলেন, পথের সব বাধাকে তিনি ঘৃণা করেন সত্যি কিন্তু নিজের গল্পগুলোকে বড় বেশি ভালোবাসেন।
কঙ্গনা বলেন, ‘যেন হাজার বছর পাড়ি দিয়েছি আমি। মুম্বাইতে ফার্স্ট ক্লাসে উড়ে আসতে পারিনি। বাস, ট্যাক্সি, ট্রেন এমনকি হেঁটেও যাতায়াত করতে হয়েছে। বাড়ি ছিল না, ফুটপাতে শুয়েছি। অনেক ফাঁদে পড়ে মানুষের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে হয়েছে। জীবনের এই অন্ধকার দিকটি যেমন দেখেছি, তেমনি দুবার প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে পুরস্কার জিতেছি। এখন বলিউডে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া অভিনেত্রীদের একজন আমি।’
নিজের জীবনের সংগ্রাম নিয়ে কঙ্গনা বলেন, ‘আমি যখন মুম্বাইতে আসি, আমি মফস্বল থেকে আসা একটি মেয়ে ছিলাম। আমি কিছুই জানতাম বা চিনতাম না। কিন্তু আমি আজ কোথায়।’ নিজের অভিজ্ঞতাগুলো নিয়ে বই লেখার ইচ্ছার কথাও জানান ২৮ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী।

জীবনের প্রতিবন্ধকতাগুলো পার করার অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে কঙ্গনা বলেন, ‘অতশত চিন্তা না করে, শুধু নিজেকে ভালোবাসুন। কারও সঙ্গে নিজেকে তুলনা করতে যাবে না। আমার যা কিছু ছিল তা কাজে লাগিয়েই হাসিমুখে কাজ করতে শুরু করেছিলাম। আমার চুল কেন কোঁকড়ানো, কেন নীল চোখ নেই বা কেনই আরেকটু লম্বা হলাম না— এসব না ভেবেই কাজ শুরু করি। হাসিমুখে বাধাগুলোকে অতিক্রম করতে থাকি। এরপর সব বদলে যেতে শুরু করে।’
Designed by Copyright © 2014
Powered by Blogger.