সর্বশেষ সংবাদ

শিক্ষকের সাথেও গভীর প্রেম ছিল মাহির!

Mahi-was-deeply-in-love-with-the-teacher

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি সিলেটের ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ের পর থেকে আলোচনার ঝড় ওঠে । তার কারণ হচ্ছে বিয়ের একদিনের মাথায় মাহির স্বামী বলে পরিচয় দেয় শাহরিয়ার শাওন নামে এক যুবক। সেই আলোচনা শেষ না হতেই নতুন করে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত খবরে মাহির সাথে কোচিং সেন্টারের এক শিক্ষকের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন সমালোচনা।


গত বছর রেডিও স্টেশন ‘রেডিও আমার’-এর জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘আমার ভালোবাসা’য় মাহি বলেন, ‘অনেক প্রেম আমার জীবনে এলেও আমি আজ আমার প্রথম প্রেমের কথা বলতে চাই। যা আজও ভুলিনি। তখন আমি উত্তরা হাইস্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। আমি কোচিং সেন্টারের এক শিক্ষকের প্রেমে পড়ি। তাকে দেখলেই আমার ভিতর অন্যরকম এক অনুভূতি কাজ করত।

সারা রাত কথা হতো। তিন বছরের মতো সময় কেটেছিল আমাদের। এরপর সম্পর্কটা নানা কারণে টিকে না থাকলেও মনে আছে সেসব স্মৃতি।’নতুন করে মাহির এ ঘটনা সাবার সামনে আসার পর সমালোচনার ঝড় উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে।এ নিয়ে অনেকেই বিরূপ মন্তব্য করছেন।

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কজন সিনিয়র চলচ্চিত্রকার দাবি করেছেন, ২০১২ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পরই মাহি একের পর এক গোপন প্রেম, অশ্লীল ভিডিও প্রকাশসহ নানা নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের জন্ম দিয়ে চিত্রনায়িকাদের প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন।

তার এমন কর্মকাণ্ডে ভালো নায়িকারাও নিজেদের চলচ্চিত্র নায়িকা হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জা পাচ্ছেন। ভালো ঘরের মেয়েরা চলচ্চিত্রে আসতে চাইছেন না। চলচ্চিত্রকাররা বলছেন, মাহি আসলে চলচ্চিত্রকে ভালোবেসে এ জগতে আসেননি। বিষয়টি তার কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই প্রমাণ হচ্ছে। চলচ্চিত্রকে ব্যবহার করে আর্থিকভাবে লাভবান এবং নানা অপকর্ম করাই ছিল তার লক্ষ্য।

উচ্ছৃঙ্খল আচরণের কারণে মাহিকে চলচ্চিত্রে আনা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়া একসময় এই নায়িকাকে তাদের চলচ্চিত্র থেকে বাদ দেয়। তার হাতে এখন তেমন ছবিও নেই। একটি সূত্র জানায়, মাহি যে উচ্ছৃঙ্খল স্বভাবের এবং একাধিক প্রেম করে বেড়ানো মেয়ে তার অনেক প্রমাণ আছে। একটি ঘটনার কথাই বলি।

এদিকে শাওনের স্বজনরা বলছেন, পুলিশ দিয়ে মাহি এখন তাদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। শাওনের আইনজীবী বেলাল হোসেন জানান, প্রথম বিয়ের খবর গোপন এবং স্বামীকে তালাক না দিয়ে আবার বিয়ে করায় মাহি দণ্ডযোগ্য অপরাধ করেছেন। তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী মামলা করা হবে। চলচ্চিত্রকাররা বিষয়টিকে মাহির জন্য অমার্জনীয় অপরাধ হিসেবেই দেখছেন। তারা বলছেন, মাহি সামাজিক অবক্ষয় ঘটানোর মতো কাজ করেছেন।

প্রথমে গোপনে বিয়ে, পরে সেই বিয়ের খবর গোপন রেখে আরেকটি বিয়ে করা; প্রথম বিয়ের খবর ফাঁস হলে তা অস্বীকার করে প্রথম স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের; পরে আদালতে বিয়ের কাবিন উপস্থাপনসহ একাধারে মাহির এসব ঘটনায় সাধারণ মানুষ এখন ছি ছি করে বলছে, ‘নায়িকাদের চরিত্র বলে কিছু নেই। তাদের পক্ষে যে কোনো বাজে কাজ করা সম্ভব।’

এ কারণে মাহির দ্বিতীয় স্বামী অপু ও তার পরিবার এখন  বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন। সব কিছু মিলিয়ে সামাজিকভাবে মানসম্মানের প্রশ্ন উঠেছে অপুর পরিবারে। এখন কতদূর পর্যন্ত স্থায়ী হয় মাহির সংসার সেটাই এখন ভাবছে সবাই।



Designed by Copyright © 2014
Powered by Blogger.