সর্বশেষ সংবাদ

পোর্টম্যান ও ‘লা লা ল্যান্ড’–এর জয়

Portman-and-La-Las-victory-lyanda

 

বড়দিনের এখনো দেরি। তবে উপহার মিলতে শুরু করেছে হলিউডের বাসিন্দাদের। বছরের শেষ প্রান্ত মানে যে বড় বড় পুরস্কার ঘোষণার শুরু। যেটা গিয়ে শেষ হবে আগামী বছরের শুরুতে একাডেমি অ্যাওয়ার্ড বা অস্কার দিয়ে।


এরই মধ্যে এ বছরের ক্রিটিক চয়েস অ্যাওয়ার্ড ঘোষণা করা হলো। সমালোচকদের মন জেতা বোধহয় সবচেয়ে কঠিন। তাই এই পুরস্কারের বাড়তি মাহাত্ম্য আছে তারকাদের মধ্যে। এ বছর ক্রিটিক চয়েস অ্যাওয়ার্ডে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন নাটালি পোর্টম্যান। ১৯৬৩ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডি মারা যাওয়ার পর তাঁর স্ত্রীর চোখ দিয়ে সেই সময়ের ঘটনা নিয়ে বানানো হয়েছে দুর্দান্ত এক ছবি। আর জ্যাকিতে মার্কিন ফার্স্ট লেডির চরিত্রে অভিনয় করে এই পুরস্কার পেলেন পোর্টম্যান।

এর আগে ২০১১ সালে ব্ল্যাক সোয়ান ছবির জন্যও এই পুরস্কার জিতেছিলেন পোর্টম্যান। যা পরে তাঁকে অস্কারও এনে দিয়েছিল। তিনি এবারও আশাবাদী হতেই পারেন। আরগো দিয়ে তাঁর ভাই বেন কয়েক বছর আগে গন্ডা গন্ডা পুরস্কার বাসায় নিয়ে গেছেন। এবার ক্যাসি অ্যাফ্লেকের পালা! সেই পূর্বাভাস দিলেন ম্যানচেস্টার বাই দ্য সি ছবির জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়ে।

তবে এই পুরস্কারে ছিল লা লা ল্যান্ড-এর জয়জয়কার। সেরা ছবি, সেরা পরিচালক (ডেমিয়েন শ্যাজেল), সেরা চিত্রনাট্যসহ আটটি বিভাগে পুরস্কার জিতেছে এই মিউজিক্যাল রোমান্টিক-কমেডি। লা লা ল্যান্ড আর মুনলাইট-এর মধ্যেই যে এবার পুরস্কারের আসরগুলোতে লড়াই হবে, সেই পূর্বাভাস মিলছে। মুনলাইট অবশ্য ক্রিটিক চয়েস অ্যাওয়ার্ডে ১০টি বিভাগে মনোনয়ন পেয়ে প্রায় গুরুত্বপূর্ণ সব বিভাগেই হেরেছে।

সেরা কমেডি সিনেমার পুরস্কার জিতেছে ডেডপুল। সুপারম্যান, স্পাইডারম্যানদের রাজত্বে হানা দিল মার্ভেলের এই আরেক সুপারহিরো। বিদেশি ভাষা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছে ফরাসি ভাষার এলে।



Designed by Copyright © 2014
Powered by Blogger.