সর্বশেষ সংবাদ

সুচিত্রা সেন স্মরণে

Suchitra-Sen-remembered

 

১৭ জানুয়ারি বাংলা সিনেমার ইতিহাসের মহানায়িকা সুচিত্রা সেন-এর মৃত্যুদিন। এ  উপলক্ষে বাংলাভিশন তৈরি করেছে বিশেষ অনুষ্ঠান ‘এই পথ যদি না শেষ হয়’। অনুষ্ঠানটি বাংলাভিশনে প্রচারিত হবে ১৬ জানুয়ারি, সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ২০মিনিটে এবং পুন:প্রচার ১৭ জানুয়ারি, মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১০মিনিটে। বর্ণনা ও উপস্থাপনা করেছেন শম্পা রেজা ও সৈয়দ আল ফারুক। গান পরিবেশন করেছেন নাহিদ নাজিয়া ও সৌম্য বোস।


এই অনুষ্ঠানটি তৈরি করা হয়েছে বাংলা সিনেমার ইতিহাসের মহানায়িকা সুচিত্রা সেন-এর বর্ণাঢ্য চলচ্চিত্র জীবন নিয়ে। বাংলা চলচ্চিত্র মানেই উত্তম-সুচিত্রা জুটি। অনুষ্ঠানে মহানায়িকা সুচিত্রা সেন ও মহানায়ক উত্তম কুমার জুটির বিভিন্ন সিনেমায় কাজ করার গল্প তুলে ধরা হয়েছে। সুচিত্রা সেন-এর মহানায়িকা হওয়ার গল্প জানা যাবে এই অনুষ্ঠানে। সুচিত্রা সেন-এর চলচ্চিত্রে অভিনয়ের শুরুর গল্প, উত্তম কুমার-এর সাথে প্রথম অভিনয়, তারপর উত্তম-সুচিত্রা জুটির নানা গল্প জানা যাবে এই অনুষ্ঠানে। বিভিন্ন সিনেমার গান পরিবেশন করার পাশাপাশি সিনেমার গানের অংশবিশেষ দেখানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন আবু হানিফ।


১৯৩১ সালের ৬ এপ্রিল ব্রিটিশ  ভারতের বাংলা প্রেসিডেন্সির (অধুনা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অন্তর্গত সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি থানার অন্তর্গত সেন ভাঙাবাড়ি গ্রাম সুচিত্রা সেনের পৈত্রিক নিবাস।) পাবনা জেলার সদর পাবনায় সুচিত্রা সেন জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তাঁর বাবা করুণাময় দাশগুপ্ত ছিলেন এক স্থানীয় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও মা ইন্দিরা দেবী ছিলেন গৃহবধূ। তিনি ছিলেন পরিবারের পঞ্চম সন্তান ও তৃতীয় কন্যা। পাবনা শহরেই তিনি পড়াশোনা করেছিলেন। তিনি ছিলেন কবি রজনীকান্ত সেনের নাতনী।

 ১৯৪৭ সালে বিশিষ্ট শিল্পপতি আদিনাথ সেনের পুত্র দিবানাথ সেনের সঙ্গে সুচিত্রা সেনের বিয়ে হয়। তাঁদের একমাত্র কন্যা মুনমুন সেনও একজন খ্যাতনামা অভিনেত্রী। ১৯৫২ সালে সুচিত্রা সেন বাংলা চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত হন। ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি ভারতীয় সময় সকাল ৮টা ২৫ মিনিট নাগাদ কলকাতার বেল ভিউ হাসপাতালে সুচিত্রা সেনের মৃত্যু হয়।



Designed by Copyright © 2014
Powered by Blogger.