সর্বশেষ সংবাদ

প্রেম-বিয়ের গোলযোগ Badrinath ki Dulhania তে

ঝাঁসির ছেলে, কোটার মেয়ে। হতেই পারত একটা মিষ্টি প্রেমের ছবি। কিন্তু পরিচালক শশাঙ্ক খৈতান তা হতে দেননি। হাসিঠাট্টার মোড়কে নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে কিছু তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। তবে সেটাও খুব সিরিয়াসলি নয়। যথেষ্ট হালকাভাবে, বাণিজ্যিক সিনেমার গণ্ডির মধ্যেই Badrinath ki Dulhania তে।

প্রেম-বিয়ের গোলযোগ Badrinath ki Dulhania তে

বদ্রী [বরুণ ধাওয়ান] কোটার এক বিয়েবাড়িতে গিয়ে বৈদেহীর প্রেমে পড়ে। তার ঘটক বন্ধু সোমদেব [সাহিল বৈদ্য] দু'জনের ঘটকালি করার চেষ্টা করতে গিয়ে জানতে পারে, বৈদেহী ক্যারিয়ার সচেতন মেয়ে। যার আগের প্রেমিক তাকে ঠকিয়ে পালিয়ে গেছে। তাই বিয়ে-থা করার কোনো পরিকল্পনাই নেই বৈদেহীর। সে শুধু দিদির বিয়ে দিয়ে চাকরি পেয়ে বাড়ির 'ছেলে' হয়ে উঠতে চায়। এদিকে বদ্রীর বাবার পুরুষতান্ত্রিক আদর্শের চাপে গোটা পরিবার ভয়ে অস্থির। ফলে গল্প যেমন এগোনোর তেমনই এগোয়, বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে নায়ক-নায়িকার মিলন! কিন্তু পরিচালক চিত্রনাট্যে এমন সব মজাদার সিকোয়েন্স রেখেছেন, যে প্রেডিক্টেবল গল্পটাও দেখতে মন্দ লাগে না। পুরুষশাসিত সমাজে নারীর ক্ষমতায়ন এই শব্দগুলো যাদের কাছে খুব ভারি, তাদের জন্যই ছবিটা তৈরি করেছেন 'হাম্পটি শর্মা...'র পরিচালক। তাই সব বার্তাই হাসির মোড়কে। গল্পের চরিত্ররা কেন ঝটপট লোকেশন বদলে ফেলছে, সে প্রশ্নে না যাওয়াই ভালো! ছবির দ্বিতীয়াংশের গতি একটু কম। তবে বরুণ ও আলিয়ার আগের ছবিটার মতোই সাবলীল। বরুণের অভিনয় ও শরীরী ভাষা দেখে অনেকটা নব্বইয়ের দশকের গোবিন্দের কথা মনে পড়ে যাবে। চরিত্রটা একেবারেই তথাকথিত বলিউড হিরোর মতো নয়। শেষে বদ্রী মেনেও নিচ্ছে, সে বৈদেহীর চেয়ে সব দিক থেকে ছোট। তাই বৈদেহীকে বদ্রীর দুলহানিয়া না বলে, বদ্রীকেই বৈদেহীর দুলহা বলে সম্বোধন করা উচিত।

ছবিতে বদ্রীর বন্ধুর চরিত্রে সাহিল বৈদ্যের অভিনয়ও প্রশংসনীয়। তার আর বরুণের কমিক টাইমিং ছবির অনেক বোরিং অংশও ধরে রেখেছে। ছোট্ট চরিত্রে নজর কেড়েছেন শ্বেতা বসু প্রসাদও। তার মাপা অভিনয় পর্দায় দেখতে ভালো লাগে।

শহুরে দর্শকের ছবিটা দেখে অনেক বিষয়ে খটকা লাগতে পারে। কিন্তু যে দেশের বেশিরভাগ জায়গায় এখনও কন্যাভ্রূণ হত্যা, পণপ্রথা, মেয়েদের বিয়ের পর কাজ করতে না দেওয়ার মতো সমস্যাগুলো কঠিন বাস্তব, সেখানে এ ধরনের ছবি দিয়েই হয়তো শুরু করতে হবে বিনোদনের ছকে সমাজপাঠ।

ছবিটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন অমল মালিক, তানিস্ক বাগচি, অখিল সাচদেভা। ছবির গানগুলো ফিরছে দর্শকদের মুখে মুখে। 'তাম্মা তাম্মা' শিরোনামের গানটি মূলত ১৯৯০ সালের 'থানেদার' চলচ্চিত্রের জন্য বাপ্পি লাহিড়ী রচনা করেছিলেন। ২৭ বছর পর গানটি নতুনভাবে কম্পোজিশন করে রূপালি পর্দায় হাজির করেন তানিস্ক বাগচি। থানেদারের অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিতের সঙ্গে এই গানের তালে নেচে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করেছেন বরুণ-আলিয়া। এদিকে গেল বছরটা মহেশ ভাটকন্যা আলিয়ার জন্য ভালোই কেটেছে। 'কাপুর অ্যান্ড সন্স', 'উড়তা পাঞ্জাব' এবং 'ডিয়ার জিন্দেগি' তিনটিই ব্যবসাসফল হয়েছে। এখন এ ছবিটি নিয়ে দারুণ হৈচৈ চলছে। ২০১২ সালে 'স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার' ছবির মাধ্যমে রূপালি পর্দায় একসঙ্গে অভিষেক হয় আলিয়া ও বরুণের। ডেভিড ধাওয়ানপুত্র বরুণের উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে আছে ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া 'দিলওয়ালে', 



Designed by Copyright © 2014
Powered by Blogger.