সর্বশেষ সংবাদ

‘Meril-Prothom Alo’ পুরস্কার

কাল সন্ধ্যায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের হল অব ফেমে ‘Meril-Prothom Alo পুরস্কার’-এর ১৯তম আসর বসতে যাচ্ছে। শুধু আমন্ত্রিত অতিথিদের জন্য আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রতিবারই চমক থাকে উপস্থাপককে ঘিরে। অনুষ্ঠানের দিন পর্যন্ত সবার কৌতূহল থাকে, কে বা কারা হচ্ছেন এবারের উপস্থাপক।

‘Meril-Prothom Alo’ পুরস্কার

সেই কৌতূহল মিটতে আরও এক দিন বাকি। তাই আজ এমন একজনের কথা শোনা যাক, যাঁকে উপস্থাপক হিসেবে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার মঞ্চে সবচেয়ে বেশিবার দেখা গেছে। তিনি হলেন হানিফ সংকেত। মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ১৯৯৯, ২০০১, ২০০৩, ২০০৫—এই চার বছরই হানিফ সংকেত পুরো আয়োজনকে নিয়ে গিয়েছিলেন এক ভিন্ন মাত্রায়। সেই আয়োজনগুলোর স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে হানিফ সংকেত বলেন, ‘কোনো দৈনিক পত্রিকার উদ্যোগে এ ধরনের পুরস্কার অনুষ্ঠানের শুরুটা আমাকে দিয়েই হয়েছিল। সেটি ছিল “মেরিল-ভোরের কাগজ পুরস্কার”। মতি ভাইয়ের (মতিউর রহমান) নেতৃত্বে তাঁর একদল একনিষ্ঠ কর্মী নিয়ে আমরা ১৯৯৮ সালে ওই অনুষ্ঠানটি করি। পরের বছর মতি ভাই নতুন পত্রিকা করেন প্রথম আলো। ১৯৯৯ সালে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের প্রথম আয়োজনটি করার সিদ্ধান্ত যখন হলো, তখন আমাকে উপস্থাপনা করতে বলা হয়েছিল। কিন্তু আমি এ ব্যাপারে একটি নিয়ম মেনে চলি। প্রতিবছর এর উপস্থাপনা না করে, এক বছর পরপর পুরস্কার অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করি। এ পর্যন্ত চারবার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছি।’

অনুষ্ঠানে নতুনত্ব আনতে প্রতিবারই নান্দনিক কিছু উপস্থাপন করতেন হানিফ সংকেত। তিনি বলেন, ‘তিন মিনিটের মঞ্চ সিনেমা বা যাত্রা মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার অনুষ্ঠানে আমরাই প্রথম করি। এমনকি পর্দা ও মঞ্চের সরাসরি সম্পৃক্ততা ঘটিয়ে নাটক উপস্থাপনও প্রথম এই অনুষ্ঠানে করেছিলাম।’
সেরা উপস্থাপক হিসেবে হানিফ সংকেত আটবার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘যখন দেখলাম এই বিভাগে প্রতিবারই আমি পুরস্কার পাচ্ছি, তখন অষ্টমবারের পুরস্কার হাতে নিয়ে মঞ্চেই ঘোষণা দিই, আগামীতে যেন আমাকে এই বিভাগে মনোনয়ন দেওয়া না হয়। চেয়েছিলাম, নতুনেরাও উঠে আসুক।’



Designed by Copyright © 2014
Powered by Blogger.