সর্বশেষ সংবাদ

চলচ্চিত্র পেশিশক্তি দেখানোর জায়গা নয় : Shakib Khan

শাকিব খান অভিনীত ঈদুল ফিতরের ছবি নবাব নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। তিন দিন হলো অনলাইনে অবমুক্ত হয়েছে এর ট্রেলার। এ ছাড়া গত বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে বুলবুল বিশ্বাস পরিচালিত রাজনীতি ছবির টিজার। ঈদে এই নায়কের আরও একটি ছবি রংবাজ মুক্তির কথাও শোনা যাচ্ছে। এই তিন ছবি ও আনুষঙ্গিক নানা বিষয় নিয়ে গতকাল কথা হলো Shakib Khan-এর সঙ্গে।

চলচ্চিত্র পেশিশক্তি দেখানোর জায়গা নয় : Shakib Khan

‘নবাব’ সিনেমার ট্রেলার থেকে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?
অভূতপূর্ব। ফেসবুক ও ইউটিউবে চমৎকার সব মন্তব্য পড়ছি। ট্রেলারটি সবাইকে আকৃষ্ট করেছে। এই ছবিতে আমাদের দেশের পুলিশের সাফল্য তুলে ধরা হয়েছে। ট্রেলারে একটা সংলাপ আছে—দেশকে বাঁচাব বলে শপথ নিয়েছি, আর সেটা আমি একাই পারব। এর অর্থ, যার যার জায়গা থেকে নিজেকেই কাজ করে যেতে হবে। দশজন আসবে তারপর কাজ করব—এমনটা ভেবে বসে থাকলে চলবে না। আমি সেই চেষ্টা করি, দেশের সংস্কৃতির স্বার্থে প্রয়োজনে একাই লড়ে যাব।

আপনার সেই লড়াইটি কেমন?
আমি সিনেমার মানুষ। আমার স্বার্থ দেশের সিনেমার উন্নয়ন। আজ কান চলচ্চিত্র উৎসবে যদি বাংলাদেশের একটা পতাকা উড়ত, অস্কারে বাংলাদেশ প্রতিনিধিত্ব করতে পারত, সেখানে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হতো। চলচ্চিত্র দেশের বাইরে গিয়ে নিজের দেশকেই উপস্থাপন করে। চলচ্চিত্রে সুষ্ঠু-সুন্দর পরিবেশ পেলে একদিন কান ও অস্কারে আমাদের দেশের পতাকা উড়বে ইনশা আল্লাহ। আমরা জীবন দিয়ে কাজ করে যাব, শুধু পরিবেশ চাই। যাতে একজন শিল্পী ও পরিচালক শান্তিতে কাজ করতে পারেন। সিনেমা পেশিশক্তি দেখানোর জায়গা নয়। এটা মেধাবী মানুষের মাধ্যম।

‘পরিবেশ’ বলতে কী বোঝাচ্ছেন? শান্তিতে কাজ করতে বাধা কোথায়?
সম্প্রতি এফডিসিতে যেসব ঘটনা ঘটেছে, বাংলা সিনেমার ইতিহাসে এমনটা কখনোই শোনা যায়নি। নিষিদ্ধ, হাতাহাতি, পুলিশের উপস্থিতি আরও কত কী! শুনেছি, সিনিয়র শিল্পী এবং পরিচালকদের কেউ কেউ এফডিসি যেতে সাহস পাচ্ছেন না। অথচ এফডিসি শিল্পী ও পরিচালকদের প্রাণের জায়গা। প্রশাসনের প্রতি আমার পরামর্শ হচ্ছে, শিল্পী-পরিচালক-কলাকুশলীদের সহায়তা করুন। তাঁদের যাতে অকারণে ভয়ভীতি দেখানো না হয়। তাহলেই পরিবেশ ফিরবে, শান্তিতে কাজ করা যাবে।

রংবাজ কতদূর?
গান বাদে বাকি শুটিং প্রায় শেষ। জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে গানের শুটিংয়ে দেশের বাইরে যাব।

কলকাতায় সম্মাননা নিতে যাচ্ছেন শুনলাম।
হ্যাঁ। কলকাতার টেলিসিনে সোসাইটি একটি সম্মাননা দিচ্ছে। খুব ভালো লাগছে। যৌথ প্রযোজনায় দেশে শতাধিক সিনেমা হয়ে গেছে। আমি করেছি মাত্র একটি। সেই ছবি শিকারীর জন্য এপার বাংলা, ওপার বাংলা এবং আসাম থেকেও প্রশংসা পাচ্ছি। পেয়েছি অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মালয়েশিয়া থেকেও। যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতীয় এক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছি।



Designed by Copyright © 2014
Powered by Blogger.