সর্বশেষ সংবাদ

জেনে নিন Porn ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে গোপন তথ্যগুলো

নীল ছবি নিয়ে বিশুদ্ধবাদীরা যতই নাক উঁচু করেন না কেন এই Porn ইন্ডাস্ট্রি যে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় সেটা তথ্যই প্রমাণ করে। মানুষ নীল ছবির হাতছানিতে মাঝেমাঝেই ধরা দেয়, কিন্তু পর্দার ওপারে ঠিক কী ঘটে? সেই Porn ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে গোপন তথ্যগুলোঃ


১)  Porn রোজগার- সাধারণ পুরুষ Porn অভিনেতারা ছবি প্রতি ৫০০ থেকে ৬০০ ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩৫ হাজার টাকা রোজগার করেন।

মহিলাদের ক্ষেত্রে রোজগারের অঙ্কটা দ্বিগুণ হয়। আর সমকামী Porn-এর ক্ষেত্রে রোজগারটা সাধারণ ক্ষেত্রের তিন গুণ হয়। তবে Pornস্টার বা Porn তারকরা ঘণ্টায় এক হাজার থেকে ৫ হাজার ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৩ লক্ষ টাকা রোজগার করেন।


২) Porn তৈরি- বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি Porn সিনেমা তৈরি হয় আমেরিকায়। দু নম্বরে জার্মানি। আমেরিকায় সপ্তাহে গড়ে ৫০০টি ও জার্মানিতে ৪০০টি Porn সিনেমা তৈরি হয়। 

৩) Porn আসক্তি- এক সমীক্ষায় প্রকাশ ১০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ অনলাইনে Porn দেখাটা তাদের যে কোনও নেশাকে হার মানিয়েছে। 

৪) Porn ও যৌন অপরাধ- সমীক্ষায় প্রকাশ যে দেশে Pornগ্রাফিক সিনেমা দেখার বিষয়ে কোনও বাধা নিষেধ নেই সেখানে যৌন হিংসা বা অপরাধের সংখ্যা কম হয়। যদিও অন্য এক সমীক্ষায় প্রকাশ Porn সিনেমা বেশি দেখা দেশে, যৌন অপরাধের সংখ্যা তুলনায় বেশি। 

৫) Porn হিসেব- আমেরিকায় প্রতি ৩৯ মিনিটে একটি Porn ছবি তৈরি হয়। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাত্র দুটি রাজ্যে Porn ছবি তৈরিতে অনুমতি আছে। 

৬) Porn ডট কম- গোটা বিশ্বে সাড়ে চার কোটি Porn ওয়েবসাইট আছে। দুনিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েবসাইটের প্রতি মাসে পেজ ভিউজ সিএনএন, ইএসপিএনের তিন গুণ। 

৭) Porn ব্যয়- প্রতি সেকেন্ড Pornগ্রাফির পিছনে খরচ হয় প্রায় ৩ হাজার ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা। 


৮) চাইল্ড Pornগ্রাফি- দুনিয়ার সেরা ২০টি উন্নত দেশ বলেছে তাদের দেশের সেরা দশটা বড় সমস্যার মধ্যে প্রথমের দিকে আছে শিশু বা চাইল্ড Pornগ্রাফি। ভারত শিশু Pornগ্রাফি রুখতে ইন্টারপোলের দ্বারস্থ হচ্ছে। 

৯) Porn দেখা- যে কোনও মুহূর্তে বিশ্বের ৩০ হাজার মানুষ Pornগ্রাফিক সিনেমা দেখছেন। ৩৭২ জন মানুষ গুগল সার্চে লিখছেন অ্যাডাল্ট বা Porn জাতীয় সিনেমা বা ছবি। 

১০)  শরীরী ব্যবসা- Porn ইন্ডাস্ট্রি হলিউড, গুগল, এনএফএল, ইয়াহু, ইবে, আমাজনের থেকেও অনেক বেশি বড় ও লাভবান। সেক্স ইন্ডাস্ট্রি (Porn সিনেমা, দেহব্যবসা, স্ট্রিপ ক্লাব, নারী পাচার) হল বিশ্বের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা।

কিছুদিন পুর্বে বয়কট Porn নামের ব্যানারে লড়াই করতে নেমে ক্লাউট বলেছেন, এই যে দুনিয়ার বহু মানুষ যাদের নীল ছবির দুনিয়ায় মুখে রঙ মেখে পারফর্ম করতে দেখেন। যাদের শরীর, যৌনতা দেখে উত্তেজনাবোধ করেন।  তাদের জীবনের আসল সত্যিটা জানলে অন্যরকম ভাববেন।  

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে Porn ইন্ডাস্ট্রিতে গিয়ে যে রিপোর্ট তৈরি করেছেন ক্লাউট, তা শুনলে অবাক হতে হয়। চুক্তিতে সই করা Porn পারফরমারদের নাকি দিনে পাঁচ-ছ ঘণ্টার মধ্যে অন্তত দশ থেকে পনেরো বারের বেশি যৌন কর্মে লিপ্ত হতে হয়।

শরীর খারাপ থাকলেও ছুটি মেলে না। বাধ্য হয়েই পারফম করতে হয়। অনেক সময় নাকি যন্ত্রণায় ছটফট করলেও ডাক্তার ডেকে ওষুধ খাইয়েই ফের পারফর্ম করতে হচ্ছে বলে সেই রিপোর্টে উল্লেখ।

সেই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, Porn পারফরমারদের হয়তো জোর করে ধরে আনা হয় না, কিন্তু তাদের চুক্তিটা এতটাই কঠিন যে মাঝপথে পালানোর উপায় থাকে না।

Porn সিনেমায় স্টার হতে পারেন বড়জোড় ৫-১০ শতাংশ, বাকিদের অবস্থা বেশ খারাপ হয়ে যায়। ক্লাউট তার সঙ্গে অন্তত ১০জন Porn পারফরমারদের হাজির করেন। যারা তাদের Porn শ্যুটিংয়ের সময় ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বলতে থাকেন।


Porn তারকারা জানান, কাজের চাপ থাকলেও টানা ১৬ ঘণ্টা শ্যুটিং করতে হয়। যেখানে অন্তত জনা পঞ্চাশ জনের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে চলে অসুস্থ যৌনতা। কিন্তু পালানোর উপায় থাকে না। চুক্তি বলে কথা।

এসব নির্যাতন সইতে না পেরে অনেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। ক্রমশ বাড়ছে Porn পারফরমরাদের আত্মহত্যার ঘটনা। এইচআইভির ভয় তো থাকেই। অথচ কম বয়সে এরাই টাকার লোভে এই ইন্ডাস্ট্রিতে আসে।

তাই ক্লাউটের আবেদন আপনি যত Porn দেখবেন, তত চাহিদা বাড়বে, তত প্রযোজকরা চাপ দেবেন।

সাবেক Porn তারকা ক্লাউট বলছেন, এসব বন্ধ হওয়া দরকার। কিন্তু এটাও জানান Porn ব্যবসা এতটাই বড় হয়ে গিয়েছে যে সেটা বন্ধ করা যাবে না, বড়জোড় কমানো যাবে। ক্লাউট এরপর বলেন, বন্ধ একটাতেই সম্ভব যদি আপনি দেখা বন্ধ করেন।

দেখে নিতে পারেন এই ভিডিওটিঃ
Designed by Copyright © 2014
Powered by Blogger.